বরগুনা: তালতলী উপজেলায় ঈদের নামাজের মধ্যে ইমামকে হত্যার চেষ্টার চাঞ্চল্যকর ঘটনা সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নের আঙ্গাপাড়া শিকদার বাড়ি মসজিদের ঈদগাহ মাঠে। হত্যা চেষ্টা চালানো ঘাতককে মুসুল্লিরা চাপাতিসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
আটক ঐ যুবকের নাম মাসুম। সে কড়ইবাড়িয়া আলীর বন্দর গ্রামের সাইদুলের ছেলে। মাসুম আলীর বন্দর এলাকার একটি মসজিদের ইমামতি ছেড়ে বর্তমানে ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানির গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছে। অন্যদিকে ঘটনার ভিকটিম ইমামের নাম মো. ইমরান। তার বাড়ি আলীর বন্দর এলাকায় হলে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে ইমাম হিসেবে কর্মরত আছেন।
[246882]
তালতলী থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক সুশান্ত ঘটনাস্থল থেকে ফিরে জানান, ঘাতক মাসুম ও ইমাম ইমরান এক সময়ে বন্ধু ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে মাসুম ইমাম ইমরানের ওপর হামলা চালায়। গত কোরবানি ঈদের পর থেকে তাদের মধ্যে শত্রুতা তৈরি হয়।
মাসুম গতকাল ঢাকা থেকে বাড়ি আসে। আসার সময় সঙ্গে করে দুই ফুট লম্বা চাপাতি সঙ্গে করে নিয়ে আসে। আজ ঈদগাহে নামাজ পড়ার সময় ঘাতক মাসুম ইমামের পিছনে নামাজ পড়তে দাড়ায়। ইমাম রুকুতে গেলে তার সঙ্গে থাকা চাপাতি দিয়ে আঘাত করতে গেলে মুসুল্লিরা তাকে চাপাতিসহ ধরে ফেলে।
এ ব্যাপারে তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে ঘাতক মাসুমকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ঘটনার বিষয় নিয়ে মাসুমকে জিজ্ঞেসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এআর