ঢাকা : জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
রোববার (২৮ জানুয়ারি) তাকে বিরোধীদলীয় নেতা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও এদিন দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে।
যদিও বহিষ্কার নিয়ে রয়েছে নানা সমালোচনা। কারণ জি এম কাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা রওশন এরশাদ পার্টিতে রয়েছেন প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে।
পৃষ্ঠপোষক পদটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে যথেষ্ট কার্যকরী পদ নয় বলেই বিবেচ্য।
সেই সুরে সুর মিলিয়ে দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, রওশন এরশাদের ঘোষণা অগঠনতান্ত্রিক, আমরা আমলে নিচ্ছি না। দলীয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নেয়ার এখতিয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষকের নেই। এটি আলংকারিক পদ।
[216490]
সংসদ সচিবালয় থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রংপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত জি এম কাদেরকে বিরোধী দলের নেতা এবং চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বিরোধীদলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
তবে রবিবার সারাদিন ছিলো জাতীয় পার্টিতে বহিষ্কার ও পাল্টা বহিষ্কার নিয়ে উত্তেজনা। এদিন দুপুরে গুলশানের বাসায় রওশন এরশাদ এক মতবিনিময় সভায় নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। সেইসাথে পরবর্তী জাতীয় সম্মেলন পর্যন্ত তিনি কাজী মো. মামুনুর রশিদকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেন।
এর পরপরই এক সংবাদ সম্মেলনে মহাসচিব চুন্নু জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী জি এম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মুজিবুল হক চুন্নু মহাসচিব। জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের কোথাও নেই চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে অব্যাহতি দেয়া যাবে।
এমটিআই