লক্ষ্মীপুর: নোয়াখালীর কবিরহাটে বোনের শ্বশুর বাড়িতে আত্মগোপনে থাকা গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুর রহমান রিমনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-৩ সদস্যরা।
শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে র্যাবের নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু সোনালীনিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামি খুব চালাক। বারবার স্থান বদল করেছে যেন তাকে গ্রেপ্তার করতে না পারি। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুর রহমান রিমন নোয়াখালীর চরজব্বর থানার চরবাটা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরমজিদ এলাকার মো. হানিফের ছেলে।
র্যাব সুত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার এক শিক্ষার্থীকে কলেজে যাওয়ার পথে রিমনের সহযোগী আজমীর ভুক্তভোগীকে ডাক দিয়ে কাছে নেয়। এরপর তারা তাকে একটি সেভেনআপ খাওয়ায়। সেভেনআপ খাওয়ার পর ওই শিক্ষার্থী অচেতন হয়ে পড়ে। পরে আসামিরা তাকে একটি বাসায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। তারপর গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও কানে থাকা ৪ আনা দুল নিয়ে পালিয়ে যায়। ওই ছাত্রীর জ্ঞান ফিরলে বেগমগঞ্জ থানার প্রাইম হাসপাতালের সাইনবোর্ড দেখতে পান। পরে সেখান থেকে বাসায় ফেরেন তিনি।
বাসায় ফিরে মায়ের কাছে বিস্তারিত বললে তিনি মামলা দায়ের করেন। তারপর র্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর আভিযানিক দল আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কবিরহাট থানার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বোনের শ্বশুরবাড়িতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় রিমনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে সে।
আইএ
আপনার মতামত লিখুন :