ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়েছে বাড়ি। শুক্রবার ব্যাঙ্ককে। ছবি: রয়টার্স।
ঢাকা: প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমারে পরপর দুবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর প্রথমটি ছিলো ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এবং পরেরটির মাত্রা ছিলো ৬.৪। এর ফলে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান কেঁপে উঠেছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) বেলা ১২টা ২০ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিলো মিয়নমারের সাংহাই রাজ্যে।রিখটার স্কেলে ৭.৭ মাত্রার এ ভূমিকম্প মিয়ানমার, ভারত, লাওস, থাইল্যান্ড এবং চীনেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তি সমতল থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের ফলে ৯০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে হোটেল, শপিং মল কাঁপতে শুরু করে। সেখানে ভেঙে পড়ে একটি নির্মাণাধীন বাড়ি। আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তবে ভূমিকম্পের জেরে মায়ানমারে কতটা কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কারও প্রাণহানি হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ভূমিকম্পের প্রথমটির উৎসকেন্দ্র মায়ানমারের সাংহাই প্রদেশের ১২ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। আর দ্বিতীয়টির উৎসকেন্দ্র মায়ানমারের লকসকের ১৫১ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দু’টি কম্পনের ক্ষেত্রেই উৎপত্তিস্থলটি ছিল মাটির ১০ কিলোমিটার নীচে।
আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
আইএ
আপনার মতামত লিখুন :