• ঢাকা
  • সোমবার, ০৭ এপ্রিল, ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

কী কথা হলো ড. ইউনূস-মিন হ্লাইং সাক্ষাতে


নিজস্ব প্রতিবেদক:  এপ্রিল ৫, ২০২৫, ১২:৪৩ পিএম
কী কথা হলো ড. ইউনূস-মিন হ্লাইং সাক্ষাতে

ঢাকা: মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ও স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেকের ষষ্ঠ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।  

সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় অধ্যাপক ইউনুসের অবস্থানরত হোটেলে।  

সাক্ষাতে অধ্যাপক ইউনুস গত ২৮ মার্চ মিয়ানমারে সংঘটিত ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা ও শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আমরা মিয়ানমারের জনগণের পাশে আছি। আমাদের উদ্ধারকারী দল সেখানে পাঠানো হয়েছে, প্রয়োজনে আরও সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি। আমাদের জাহাজ প্রস্তুত রয়েছে।’

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভূমিকম্পের পরপরই জরুরি উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আঞ্চলিক সংহতি ও মানবিক মূল্যবোধ থেকেই এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।  

মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী মিন অং হ্লাইং অধ্যাপক ইউনুসকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বে বিমসটেক নতুন গতিশীলতা অর্জন করবে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ এমন এক সময়ে হলো, যখন রোহিঙ্গা সংকট ঘিরে আঞ্চলিক কূটনীতি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।  মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, তারা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গার নাম-পরিচয় চূড়ান্ত করেছে, যাদের ফেরত পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে।  

বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে স্বেচ্ছা, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ইস্যু দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত রয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে ইউনুস-হ্লাইং সাক্ষাৎ শুধু মানবিক সহায়তা নয়, রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও সম্ভাব্য আঞ্চলিক আলোচনার বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।  

বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম যদি মানবিক সংকট সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তাহলে তা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করছেন কূটনৈতিক মহল।

আইএ

Wordbridge School
Link copied!